বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
Headline :
ভৈরবে মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষ,  পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে মাদকের বিস্তার স্থানীয়দের উদ্বেগ, কার্য্কর পদক্ষেপের জোর দাবি সামান্য বৃষ্টি বা রাত হলেই সিএনজি ভাড়া নৈরাজ্য: ভৈরব-আগানগর রুটে জিম্মি যাত্রীরা টেকনাফে ব্যবসায়ীর ১২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ: চিহ্নিত ৭ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৩- ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকিরও দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে বিশেষ অভিযানে যুবলীগ কর্মীসহ ৭ জন গ্রেফতার টেকনাফ সদর রাজারছড়া পাহাড়ে এস আই মোরশেদের দুঃসাহসিক অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা থেকে অপহৃত ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার, টেকনাফ মডেল থানার সফলতায় স্বস্তি পদোন্নতির পর জন্মভূমি শিবচরে এডিশনাল আইজিপি রেজাউল করিম মল্লিক, উচ্ছ্বসিত এলাকাবাসী পদোন্নতির পর জন্মভূমি শিবচরে এডিশনাল আইজিপি রেজাউল করিম মল্লিক, উচ্ছ্বসিত এলাকাবাসী আশুগঞ্জে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, মোটরসাইকেল জব্দ

সামান্য বৃষ্টি বা রাত হলেই সিএনজি ভাড়া নৈরাজ্য: ভৈরব-আগানগর রুটে জিম্মি যাত্রীরা

Reporter Name

 

​ভৈরব প্রতিনিধি:

ভৈরব-আগানগর রুটে চলাচলকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চরম আকার ধারণ করেছে। স্বাভাবিক সময়ের ৪০ টাকার ভাড়া সামান্য বৃষ্টি কিংবা রাত নামলেই হয়ে যাচ্ছে ৫০ টাকা। চালকদের এমন স্বেচ্ছাচারী ও সিন্ডিকেট আচরণের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই রুটে যাতায়াতকারী হাজারো সাধারণ মানুষ।

​স্থানীয় যাত্রী ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ভৈরব থেকে মেঘনা নদী পার হয়ে ওপারে আগানগর ইউনিয়নে যাতায়াতের জন্য সিএনজি অন্যতম প্রধান মাধ্যম। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ হওয়া বা রাত নামার সুযোগ নিয়ে চালকরা যাত্রীদের এক প্রকার জিম্মি করে ফেলে। আকাশে সামান্য মেঘ দেখা দিলে কিংবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হলেই কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে সরাসরি ১০ থেকে ২০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করা হয়।

​একই চিত্র দেখা যায় রাত গভীর হলে। রাত ৮টা বা ৯টার পর যখন স্ট্যান্ডে যাত্রীদের চাপ বাড়ে এবং বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা কমে আসে, তখন চালকরা একজোট হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া হাঁকাতে শুরু করে। বাধ্য হয়ে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীদের বাড়তি টাকা দিয়েই গন্তব্যে ফিরতে হচ্ছে।

​ভুক্তভোগী যাত্রীদের ক্ষোভ:

নিয়মিত এই রুটে চলাচলকারী স্থানীয় এক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দিনে যে ভাড়া ৪০ টাকা, একটু বৃষ্টি হলেই চালকরা সেটা ৫০ টাকা করে দেয়। রাত হলে তো কথাই নেই, চালকদের ইচ্ছামতো টাকা না দিলে তারা যেতেই চায় না। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তা তো আর বন্ধ হয়ে যায় না, তাহলে ভাড়া কেন বাড়বে? আমরা প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ চাই।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page