আব্দুর রাজ্জাক সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে কুরআন, আজান ও ইসলাম সম্পর্কিত ইসলামবিদ্বেষী ও বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহ সারাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কাওমী ঐক্য পরিষদ এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়
মঙ্গলবার (২ জুন ২০২৬ খ্রিঃ) আলেম ও স্থানীয় মুসলিদের সঙ্গে নিয়ে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচিতে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন। বক্তব্য রাখেনঃ হেফাজতের যুব বিষয়ক সম্পাদকঃ জুনায়েদ কাসেমী,
ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এরশাদুল্লাহ কাসেমী,
সহ সম্প্রচার সম্পাদক
সৈয়দ কাসেম ,
মুফতী যুবায়েদ সাইফুল্লাহ- জেলা কওমি ঐক্য পরিষদের নেতা
মাওলানা ইউসুফ বীন ইয়াকূব- জেলা হেফাজতের সহকারি সাধারণ সম্পাদক
হাজী মহিবুর রহমান- বিজয়নগ হেফাজত উসলাম সহসভাপতি
মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস – সহ সভাপতি হেফাজত ইসলাম সরাইল উপজেলা
বক্তারা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ইসলামী জনপদ।
এ অঞ্চলের মাটি আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ ও বুজুর্গদের স্মৃতিবিজড়িত। হযরত ফখরে বাঙাল আল্লামা তাজুল ইসলাম (রহ.), রঈসুল মুফাসসিরীন আল্লামা সিরাজুল ইসলাম (বড় হুজুর রহ.) ও আল্লামা মুফতি ফজলুল হক আমিনী (রহ.)-শুধু তাই নয় অসংখ্য দেশবরেণ্য ব্যক্তিত্বের স্মৃতিধন্য এ জনপদের মানুষ ইসলামী মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রশ্নে সব সময়ই সচেতন, সোচ্চার ও আপসহীন। বক্তারা আরো বলেন, কোনো রাজনৈতিক নেতা বা জনপ্রতিনিধির বক্তব্য যদি দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে, তাহলে তা জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগের জন্ম দেয়। বক্তারা দাবি করেন, রুমিন ফারহানার সাম্প্রতিক বক্তব্য ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি আঘাত এবং নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সম্পর্কে জানেন না। সরাইল-আশুগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ধর্মপ্রাণ জনগণ ঈমান, আকিদা ও ইসলামের ব্যাপারে আপসহীন। মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করা গ্রহণযোগ্য নয়।
রুমিন ফারহানাকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশের ধর্মপ্রাণ জনগণ ও আলেম-উলামার কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় জনগণের মধ্যে চলমান ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও উল্লেখ করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ শান্তিপ্রিয় হলেও ইসলামের অবমাননা বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন কোনো বক্তব্য তারা কখনো সমর্থন করে না। দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকল রাজনৈতিক নেতা ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে সংযত ও দায়িত্বশীল বক্তব্য প্রদানের আহ্বান জানান।বাতিলের এদেশে জায়গা নেই,যেমন তাসলিমা নাসরিনের জায়গা
এ দেশে হয় নাই
বাংলাদেশের জনগণ ধর্মপ্রাণ। জনগণের ধর্মবিশ্বাস ও মূল্যবোধের প্রতি সম্মান দেখানোই একজন দায়িত্বশীল রাজনীতিকের অন্যতম কর্তব্য এই বলে মানববন্ধন কর্মসূচি সমস্ত হয়।