মোঃআজিজ উল্লাহ :
টেকনাফের সাহসী অনুসন্ধানী সাংবাদিক কায়সার জুয়েলের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ, জিডি ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের ঘটনায় সাংবাদিক মহল, আইনজীবী ও সচেতন নাগরিকদের মাঝে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অপরাধ, মানবপাচার, মাদক ও অপহরণ চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের কারণেই স্বার্থান্বেষী মহল গুলো তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সত্য প্রকাশের পথ রুদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
সাংবাদিকদের মতে, মিথ্যা অভিযোগ কিংবা আদালতে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করে কোনো অপরাধ আড়াল করা যায় না। বরং এসব অপচেষ্টা সত্য অনুসন্ধানে একজন সাহসী সাংবাদিককে আরও দৃঢ়চেতা করে তোলে। তারা বলেন, কায়সার জুয়েলের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগগুলো স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী এবং গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের একটি ন্যাক্কারজনক প্রচেষ্টা।
দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, মানবপাচার, মাদক কারবার,অপহরণকারী ও অপরাধ কর্মকাণ্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন সাংবাদিক কায়সার জুয়েল।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচন করায় কয়েকটি চক্র ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও মানসিকভাবে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে।
আইনজীবী ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে স্বাধীন সাংবাদিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে সত্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করা হলে তা পুরো গণমাধ্যম অঙ্গনের জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়াবে।
তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান। পাশাপাশি সাহসী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বানও জানান তারা।
সচেতন মহল আরও বলেন, ভয়ভীতি, অপপ্রচার কিংবা মিথ্যা অভিযোগ, হয়রানিমুলক মামলা দিয়ে সত্যের কণ্ঠ কখনো স্তব্ধ করা যায় না। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে টেকনাফের সাহসী সাংবাদিক কায়সার জুয়েলের কলম অতীতের মতো ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।