বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
Headline :
মোহাম্মদপুরে জালিয়াতি করে বাড়ি দখলদার থেকে উদ্ধারে সশস্ত্র হামলা: প্রশাসনের হস্তক্ষেপে রক্ষা পেলেন সাংবাদিক ও মূল মালিক সরাইলের আইন-শৃঙ্খলা সভায় মাদক ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান উনচিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধর্ষণচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারের টেকনাফের জনপ্রিয় কাউন্সিলর একরামুল হ/ত্যা: শেখ হাসিনা-বেনজীর,মেজর রুহুল আমিনসহ ৮ জনের বি’রুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা টেনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ: তহসিলদারের ছত্রছায়ায় কর্মচারী পরিচয়ে সক্রিয় কালা আবচার সেনাবাহিনীর স্টিকারযুক্ত ল্যান্ড ক্রুজারে ২৮ হাজার ইয়াবা, সাবেক সেনাসদস্য গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পুলিশের কিট প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা জুলাই গণহত্যার কুশীলব এসপি আলমগীর: তদন্তে বরখাস্তের পরও কীভাবে বহাল? বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভৈরব পৌরসভার সাবেক তিনবারের মেয়র ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাস আর নেই এক দলিলে দ্বৈত রূপ: মোহাম্মদপুরে ভূমি নথির ‘জাদুকরী’ জালিয়াতি; নেপথ্যে কারা?

গোপালগঞ্জে কিশোর গ্যাং ও মাদক নির্মূলে রেকর্ড গড়লেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ।

Reporter Name

এ জেড আমিনুজ্জামান রিপন
মাদক নগরী হিসেবে দীর্ঘদিনের পরিচিত গোপালগঞ্জ জেলাটিকে মাদক নির্মূলে শতভাগ সফলতা না হলেও, প্রায় বেশিরভাগই নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছেন গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ। এই কৃতিত্বের সম্পূর্ণ দাবিদার গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ। পাশাপাশি তিনি কিশোর গ্যাং- এর দীর্ঘদিনের তাণ্ডব নির্মূল করতে সফল হয়েছে। আগে প্রায়ই শহরের বিভিন্ন জায়গায় কিশোর গ্যাংয়ের দলবদ্ধ চক্রের হানাহানি, মারামারি দেখা যেত, বর্তমানে তা চোখেই পড়ে না।
মাদক নির্মূল অভিযান ও তা সমূলে ধ্বংস করে দেওয়ার কৃতিত্বের কথা বলতে গেলে চলে আসে আরো কিছু পুলিশের কর্মকর্তাদের নাম। এদের মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. জিয়াউল হক (পিপিএম) ও সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ডিএসবি) মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন সহ জেলা ডিবি ও গোপালগঞ্জ সকল থানার কর্মকর্তাদের নাম চলে আসে।
গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ৬-১২-২০২৫ ইং তারিখে। ২৭তম বিসিএস ব্যাচের চৌকস পুলিশ সুপার, গোপালগঞ্জ যোগদানের পর থেকেই মাদক ও কিশোর গ্যাং এর উপর বিশেষ নজর দেন। তারই ধারাবাহিকতায় শুরু হয় মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান। গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করেন, দীর্ঘদিনের চিহ্নিত ৯০ ভাগ মাদক ব্যবসায়ীদের।
গোপালগঞ্জ জেলার সুধী সমাজ বলেন, গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ এই মাদক নির্মূল অভিযান ও কিশোর গানের তাণ্ডব সমূলে উৎখাত করতে না পারলেও বর্তমান পরিস্থিতি যা আছে, এ বিষয়ে সম্পূর্ণ কৃতিত্বের দাবিদার তিনি। তারা আরো বলেন, পুলিশ সুপার মহোদয় মাদকের উপর আরো একটু কড়া নজরদারি করলে, শতবার মাদক নির্মূল করা সম্ভব।
গোপালগঞ্জে বর্তমানে বিভিন্ন শেল্টারে গোপনে মাদক ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে, প্রশাসন চাইলে তা দ্রুত নির্মল করতে সম্ভব বলে ধারণা করছে, গোপালগঞ্জের সচেতন নাগরিকেরা।
গোপালগঞ্জের সুধী সমাজের কিছু সমাজ চিন্তাবিদরা বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের পদ পরিবর্তনের পর থেকে গোপালগঞ্জ জেলার মানুষের মাঝে বড়ো ধরনের একটা আতঙ্ক কাজ করছিল। যার অবসান ঘটেছে জেলা পুলিশ সুপার মতো, হাবিবুল্লাহ যোগদানের পর থেকে। তিনি তার কর্মদক্ষতার মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জে কিশোর গ্যাং, মাদক নির্মূল সহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখেছে। তারা আরো বলেন, তার মতো চৌকস ও মেধাবী কর্মকর্তাকে পেয়ে আমরা খুবই গর্বিত। আমরা তার সাফল্য ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page