বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
Headline :
ভৈরবে মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষ,  পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে মাদকের বিস্তার স্থানীয়দের উদ্বেগ, কার্য্কর পদক্ষেপের জোর দাবি সামান্য বৃষ্টি বা রাত হলেই সিএনজি ভাড়া নৈরাজ্য: ভৈরব-আগানগর রুটে জিম্মি যাত্রীরা টেকনাফে ব্যবসায়ীর ১২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ: চিহ্নিত ৭ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৩- ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকিরও দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে বিশেষ অভিযানে যুবলীগ কর্মীসহ ৭ জন গ্রেফতার টেকনাফ সদর রাজারছড়া পাহাড়ে এস আই মোরশেদের দুঃসাহসিক অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা থেকে অপহৃত ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার, টেকনাফ মডেল থানার সফলতায় স্বস্তি পদোন্নতির পর জন্মভূমি শিবচরে এডিশনাল আইজিপি রেজাউল করিম মল্লিক, উচ্ছ্বসিত এলাকাবাসী পদোন্নতির পর জন্মভূমি শিবচরে এডিশনাল আইজিপি রেজাউল করিম মল্লিক, উচ্ছ্বসিত এলাকাবাসী আশুগঞ্জে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, মোটরসাইকেল জব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে মাদকের বিস্তার স্থানীয়দের উদ্বেগ, কার্য্কর পদক্ষেপের জোর দাবি

Reporter Name

 

আব্দুর রাজ্জাক সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার কুট্টা পাড়া গ্রাম, সৈয়দটুলা আনাচে কানাচে, বড্ডাপাড়া গ্রামে, কালিকচ্ছ, নওগাঁ, চুন্টা, রসুলপুর, আজবপুর ভয়াবহ অবস্থা, রাজাপুর কাঁকুরিয়া ধান থলিয়া ওইসব গ্রামে মাদকের চরাচরি এবং বিভিন্ন গ্রাম, মহল্লা ও পাড়ায় মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এলাকাবাসীর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে ইয়াবা সহ বিভিন্ন মাদকের ক্রয়-বিক্রয় ও সেবনের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সামাজিক নিরাপত্তা ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ ব্যাপারে সরাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ মনজুরুল কাদের ভূঁইয়া ( ওসি) দৈনিক অপরাধ জগত পত্রিকা কে বলেন,”মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।
কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের দ্বন্দ্ব, হুমকি ও প্রভাব বিস্তারের ঘটনা ঘটছে। তাদের দাবি, কিছু ব্যক্তি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে।
এলাকাবাসীর মতে, মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তবে স্থানীয়ভাবে আরও কিছু অভিযোগ শোনা গেলেও সেসব অভিযোগের স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়গুলো তদন্ত করা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক নিয়ন্ত্রণে কেবল আইনগত পদক্ষেপ নয়, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনতা বৃদ্ধি, যুবকদের কর্মসংস্থান এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা হলে মাদক সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব।মাদক নিয়ন্ত্রণে করণীয়
সন্দেহভাজন কার্যক্রমের তথ্য লিখিতভাবে প্রশাসনকে জানানো।স্থানীয়ভাবে সচেতনতামূলক সভা ও প্রচারণা চালানো।
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকবিরোধী কার্যক্রম বৃদ্ধি করা।প্রমাণভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্টকর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া।
মাদকসেবী ও আসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে নজরদারি কমিটি গঠন করা,প্রত্যেকটি মানুষের নিজ নিজ দায়িত্ব মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন মূলক ভূমিকা রাখতে হবে,


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page