নুরুল কায়সার জুয়েল
কক্সবাজার প্রতিনিধি /
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়নে রূপান্তরের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক আবুল কাসেম। তিনি বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও আস্থাকে ধারণ করে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
সাংবাদিক আবুল কাসেম বলেন, “হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদ হবে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও মর্যাদাশীল উন্নয়নের একটি রোল মডেল। এখানে কোনো ধরনের বৈষম্য, অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা স্বজনপ্রীতির স্থান থাকবে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষকে সমান মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করব। ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি সেবা হবে সহজ, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত।”
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও সরকারি সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি অংশগ্রহণমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
আবুল কাসেম আরও বলেন, নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণ, খেলাধুলা ও সামাজিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, “হোয়াইক্যংকে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা ও দুর্নীতিমুক্ত একটি নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের পথ থেকে ফিরিয়ে এনে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার বিকল্প নেই।”
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কাসেম আরও বলেন, ইউনিয়নের অসহায়, দরিদ্র, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সরকারি ভাতা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও অন্যান্য সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে স্বচ্ছতার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, “জনপ্রতিনিধি মানেই জনগণের সেবক। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদের দরজা সবসময় সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মানুষের সমস্যা শুনব, দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেব এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করব।”
এ সময় তিনি আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও স্মার্ট ইউনিয়ন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন উন্নয়ন, ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং মানবিক মূল্যবোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
সবশেষে সাংবাদিক আবুল কাসেম হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও উন্নত হোয়াইক্যং গড়ে তুলতে চাই। জনগণের কল্যাণই হবে আমার একমাত্র অঙ্গীকার