শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন
Headline :
দানবীর এস এম এ আহাদ (১৯৩৪–২০১৫): যশোরবাসী যার অবদান আজীবন মনে রাখবে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদ হবে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও মর্যাদাশীল উন্নয়নের রোল মডেল” — সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক আবুল কাসেম মোহাম্মদপুরে জালিয়াতি করে বাড়ি দখলদার থেকে উদ্ধারে সশস্ত্র হামলা: প্রশাসনের হস্তক্ষেপে রক্ষা পেলেন সাংবাদিক ও মূল মালিক সরাইলের আইন-শৃঙ্খলা সভায় মাদক ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান উনচিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধর্ষণচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারের টেকনাফের জনপ্রিয় কাউন্সিলর একরামুল হ/ত্যা: শেখ হাসিনা-বেনজীর,মেজর রুহুল আমিনসহ ৮ জনের বি’রুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা টেনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ: তহসিলদারের ছত্রছায়ায় কর্মচারী পরিচয়ে সক্রিয় কালা আবচার সেনাবাহিনীর স্টিকারযুক্ত ল্যান্ড ক্রুজারে ২৮ হাজার ইয়াবা, সাবেক সেনাসদস্য গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পুলিশের কিট প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা জুলাই গণহত্যার কুশীলব এসপি আলমগীর: তদন্তে বরখাস্তের পরও কীভাবে বহাল?

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দখলমুক্তে ট্যুরিস্ট পুলিশের অভিযান: অপপ্রচারের অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান

Reporter Name

মাসুদ রানা বাবুল
দেশের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দখলমুক্ত রাখতে ট্যুরিস্ট পুলিশের চলমান উচ্ছেদ অভিযান ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তবে অভিযানের পর একটি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের জেরে ট্যুরিস্ট পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগকে “ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ, কক্সবাজার রিজিয়ন সূত্র জানায়, অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সৈকতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ স্থাপনা অপসারণে ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রতিক অভিযানে সৈকতের বিভিন্ন অংশে অবৈধভাবে স্থাপিত দোকান উচ্ছেদ করা হয় এবং দখলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
একটি প্রতিবেদনে ‘পর্যটক সেবার সরঞ্জাম ভাড়া দিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য’ শিরোনামে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হলেও ট্যুরিস্ট পুলিশের দাবি—প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়নি। রিজিয়ন প্রধান বলেন, “যদি কোনো অভিযোগের প্রমাণ থাকে, তা প্রকাশ করা হোক। আমরা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করব।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের একাংশ বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে সৈকতের কিছু এলাকায় অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল, যা পর্যটন শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল। তারা মনে করেন, দখলমুক্ত অভিযান পর্যটন পরিবেশ উন্নত করতে সহায়ক হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা হবে। আইন বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের অভিযোগে মানহানি ও তথ্যপ্রযুক্তি আইন প্রযোজ্য হতে পারে, তাই নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত জরুরি।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও পর্যটক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক মানের নিরাপদ ও দখলমুক্ত সমুদ্রসৈকত গড়ে তুলতে প্রশাসন, গণমাধ্যম ও স্থানীয় সমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page