এম.আর. সোহেল ভৈরব নিজেস্ব প্রতিবেদক :- ঈদের পোশাক থেকে শুরু করে সব ধরনের কেনাকাটা প্রায় শেষ। এবার নিজেকে একটু আলাদাভাবে উপস্থাপন করতে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জেন্টস পার্লাগুলোতে ভিড় করছে মানুষ। ছোট থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ ভিড় করছে জেন্টস পার্লাগুলোতে।
স্বাভাবিকের চেয়ে ভিড় বেড়েছে। দম ফেলার সময় পাচ্ছেন না কর্মীরা। ঈদের বাড়তি ভিড় সামলাতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে জেন্টস পার্লারের কর্মীদের। এমন ব্যস্ততা থাকবে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়ে জেন্টস পার্লারের কর্মীরা।
চেহারায় চাকচিক্যভাব ও লাবণ্যতা আনতে ফেসিয়ালসহ বিভিন্ন ট্রিটমেন্ট নিচ্ছেন অনেকে। শিশুদের চুল কাটার ধরনেও দেখা যাচ্ছে পরিবর্তন। কেউ কেউ আবার চুলে নতুন রঙ লাগাচ্ছেন।
জেন্টস পার্লারের কর্মীরা জানান, নতুন ডিজাইনে চুল কাটা, সেভ করা, স্পা, ফেসিয়াল, লেয়ার কাট, স্কিন পলিশ, চুল কালার, চুল স্টেট করাসহ বিভিন্ন কাজ হচ্ছে। তবে এখন বেশি শিশুদেন চুল কাটার কাজ হয়। কারণ শেষ দিকে বেশি ভিড় থাকে। আর সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তরুণ ও যুবকেরা বেশি আসে। আর এর জন্য কারিগর (নরসুন্দর) ও কর্মী রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত।
চেহারায় চাকচিক্যভাব আনতে ফেসিয়ালসহ বিভিন্ন ট্রিটমেন্ট নিচ্ছেন অনেকে। চেহারায় চাকচিক্যভাব আনতে ফেসিয়ালসহ বিভিন্ন ট্রিটমেন্ট নিচ্ছেন অনেকে। চুল কাটাতে আসা নিরজ নামে এক শিশু জানায়, ঈদের কেনাকাটা শেষ হয়েছে। তাই ঈদে নতুন করে সাজতে বাবার সঙ্গে চুল কাটাতে এসেছে সে।
ছেলের বাবা হাসান বলেন, ‘এখন ছেলের চুল কাটাচ্ছেন পরে, আমিও কাটাব। বাচ্চাদের চুল কাটতে সময় লাগে পাশাপাশি সিরিয়াল দিতে হয়।’ এছাড়াও তানভীর আরাফাত নামে এক যুবক জানান, ঈদের কেনাকাটা প্রায় শেষ তাই নিজেকে একটু স্মার্টনেজ করে তুলার জন্য জেন্স পার্লারে এসেছি। বন্দর নগরীর ভৈরবে নদী বাংলা সেন্টার পয়েন্টে স্মার্ট লুক সেলুন ও জেন্টস পার্লারের সত্ত্বাধিকারি তানভীর আহমেদ বলেন, ঈদকে সামনে রেখে তাদের ব্যস্ততা বেড়েছে। বিশেষ করে সকাল থেকে শিশু কিশোরদেন চুলকাটে বেশি। আর বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তরুণ ও প্রাপ্ত বয়স্করা ভিড় করছেন।